এক পুলিশ কনষ্টেবলের দাপটে অসহায় হয়ে পড়েছে ৪ পরিবারের লোকজন। তাদের
চলাচলের রাস্তার ওপর নির্মাণ করা হচ্ছে ভবন। ঘটনাটি পটিয়া উপজেলার ধলঘাট
ইউনিয়নের করনখাইন গ্রামে।
কক্সবাজার সদর থানার পুলিশ কনস্টেবল সামশুল আলমের বাড়ি উপজেলার করনখাইন গ্রামে। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সামশুল আলমসহ পাড়ার লোকজন যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছিল, সেই রাস্তায় পুলিশ কনস্টেবল দাপট দেখিয়ে বিল্ডিং নির্মাণ করার ফলে তার পার্শ্ববর্তী চার পরিবারের লোকজন অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। এ ব্যাপারে পটিয়া থানার ওসি রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী এসআই কামরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ না করার ব্যাপারে নির্দেশনা দিলেও পুলিশ কনস্টেবল কোন নির্দেশনা না মেনে পুলিশী দাপট দেখিয়ে সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় চলাচলের রাস্তায় বিল্ডিং নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে নাজিম উদ্দিন বাদি হয়ে কনস্টেবল সামশুল আলমের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় গত ১ মার্চ একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে এস আই কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে তদন্তে গিয়ে সামশুল আলমকে এক দফা অনুরোধ জানান।
তার কথা অমান্য করলে দ্বিতীয়বার স্থানীয় ধলঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছালামত উল্লাহ মল্ল ও পটিয়া থানার ওসি রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে সামশুল আলমকে চলাচল পথে বিল্ডিং না করার জন্য অনুরোধ করেন।
কিন্তু সে তার স্বেচ্ছাচারিতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করায় এলাকার লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলেও এলাকার লোকজন অভিযোগ করেন। বর্তমানে উক্ত কনস্টেবল লোকজনের বিকল্প হাঁটাচলার পথে ১০ ফুট গর্ত সৃষ্টি করেছে। এছাড়া তার কারণে ৬০ শতকের একটি পুকুর ব্যবহারবঞ্চিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে স্থানীয় ধলঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ছালামত উল্লাহ মল্ল জানান, সামশুল পুলিশী দাপট দেখিয়ে অসহায় মানুষদের নির্যাতন করে আসছে। চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করে বিল্ডিং নির্মাণ করছে। কাউকে তোয়াক্কা না করে সে তার মনের ইচ্চা মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তার এহেন আচরণে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে তিনি জানান। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, পুলিশ কনেস্টবল চলাচল রাস্তার পাশে যে বিল্ডিং নির্মাণ করছে, বর্তমানে সে রাস্তা দিয়ে একজন মৃত ব্যক্তির লাশও নিতে পারবে না। এ নিয়ে উভয় পক্ষের সংকট নিরসনের চেষ্টা করা হবে।
কক্সবাজার সদর থানার পুলিশ কনস্টেবল সামশুল আলমের বাড়ি উপজেলার করনখাইন গ্রামে। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে সামশুল আলমসহ পাড়ার লোকজন যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছিল, সেই রাস্তায় পুলিশ কনস্টেবল দাপট দেখিয়ে বিল্ডিং নির্মাণ করার ফলে তার পার্শ্ববর্তী চার পরিবারের লোকজন অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। এ ব্যাপারে পটিয়া থানার ওসি রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী এসআই কামরুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা চলাচলের রাস্তা অবরুদ্ধ না করার ব্যাপারে নির্দেশনা দিলেও পুলিশ কনস্টেবল কোন নির্দেশনা না মেনে পুলিশী দাপট দেখিয়ে সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় চলাচলের রাস্তায় বিল্ডিং নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে নাজিম উদ্দিন বাদি হয়ে কনস্টেবল সামশুল আলমের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় গত ১ মার্চ একটি অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে এস আই কামরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে তদন্তে গিয়ে সামশুল আলমকে এক দফা অনুরোধ জানান।
তার কথা অমান্য করলে দ্বিতীয়বার স্থানীয় ধলঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছালামত উল্লাহ মল্ল ও পটিয়া থানার ওসি রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে সামশুল আলমকে চলাচল পথে বিল্ডিং না করার জন্য অনুরোধ করেন।
কিন্তু সে তার স্বেচ্ছাচারিতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করায় এলাকার লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলেও এলাকার লোকজন অভিযোগ করেন। বর্তমানে উক্ত কনস্টেবল লোকজনের বিকল্প হাঁটাচলার পথে ১০ ফুট গর্ত সৃষ্টি করেছে। এছাড়া তার কারণে ৬০ শতকের একটি পুকুর ব্যবহারবঞ্চিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে স্থানীয় ধলঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা ছালামত উল্লাহ মল্ল জানান, সামশুল পুলিশী দাপট দেখিয়ে অসহায় মানুষদের নির্যাতন করে আসছে। চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করে বিল্ডিং নির্মাণ করছে। কাউকে তোয়াক্কা না করে সে তার মনের ইচ্চা মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তার এহেন আচরণে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে তিনি জানান। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী বলেন, পুলিশ কনেস্টবল চলাচল রাস্তার পাশে যে বিল্ডিং নির্মাণ করছে, বর্তমানে সে রাস্তা দিয়ে একজন মৃত ব্যক্তির লাশও নিতে পারবে না। এ নিয়ে উভয় পক্ষের সংকট নিরসনের চেষ্টা করা হবে।
