চট্টগ্রামের পটিয়ায় গোল্ডেন হোটেল ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করার অভিযোগ
পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার ভোররাত সাড়ে তিনটায় পটিয়া পৌরসভার বাস
ষ্টেশন এলাকায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পটিয়া এএসপি সার্কেল শামীম
হোসেনের নেতৃত্বে পটিয়া থানার একদল পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন আমির খসরু (৪০), গোলামুর রহমান (৩৫) ও নজরুল ইসলাম (৩০)
পিতা- আহমদুল হক, সর্বসাং- পশ্চিম কচুয়াই।
পটিয়া থানার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটিয়া পৌরসভার সাবেক কমিশনার নুরুল আলমের সঙ্গে পৌর সদরের পশ্চিম কচুয়াইয়ের আমির খসরু ও জসিম গংয়ের মধ্যে হোটেলের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে শুক্রবার ভোররাত সাড়ে তিনটায় আমির খসরু ও জসিমের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল গোল্ডেন হোটেলের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে হোটেলের ম্যানেজার বাবুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে। এ সময় অপর সন্ত্রাসীরা দোকানের ২টি ফ্রিজ বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্যাশবাক্স থেকে নগদ ৭ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগসূত্রে প্রকাশ। পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় দোকানের পিছনে গ্যাসের পাইপ লাইনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দোকানের মালিক সাবেক কমিশনার নুরুল আলম জানান। অগ্নিকান্ডের ফলে স্থানীয় ফায়ার বিগ্রেড এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা পাশের অপর দুটি দোকান ভাংচুর করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনায় সাবেক কমিশনার নুরুল আলমের পুত্র মিজানুর রহমান বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এতে মামলার আসামী করা হয় আমির খসরু, পিতা- আহমদুল হক, জসিম উদ্দিন, পিতা- মরহুম এজাহার মিয়া, নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মদুর রহমান, নঈম উদ্দিন, পিতা- আহমদুল হক, সাং- কচুয়াই, নাছির উদ্দিন, পিতা- মরহুম এজাহার মিয়া, পটিয়া পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ড ঈদউল মল্ল পাড়া, আবু বক্কর, পিতা- মৃত জহির আহমদসহ ১৫/২০ জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা যায়। বাদী মিজানুর রহমানের অভিযোগ প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের দোকানে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। উক্ত টাকা দিতে অপারগতায় খসরু ও জসিম গং সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে দোকানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করে ৭ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ক্ষতিসাধন করে। অপরদিকে, এ ব্যাপারে আটককৃত আমির খসরুর ছোট ভাই মৌলানা নিজাম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গোল্ডেন হোটেলটি তাদের মালিনাকাধীন জায়গায়। দেড় বছর ধরে নুরুল আলম ভাড়া না দিয়ে জমিদার দাবি করে আসছিল। এই জায়গা আমার জৈঠা হাবিবুল হকের মৌরসী সম্পত্তি। তার ওয়ারিশরা এই জায়গা আমার ভাই আমির খসরুকে রেজিস্ট্রি দেন। সে মোতাবেক জায়গাটির বর্তমান মালিক আমার ভাই আমির খসরু। জায়গাটি দখল বুঝে নিতে গিয়ে অনভিপ্রেত এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।
পটিয়া থানার অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটিয়া পৌরসভার সাবেক কমিশনার নুরুল আলমের সঙ্গে পৌর সদরের পশ্চিম কচুয়াইয়ের আমির খসরু ও জসিম গংয়ের মধ্যে হোটেলের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে শুক্রবার ভোররাত সাড়ে তিনটায় আমির খসরু ও জসিমের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল গোল্ডেন হোটেলের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে হোটেলের ম্যানেজার বাবুলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে। এ সময় অপর সন্ত্রাসীরা দোকানের ২টি ফ্রিজ বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্যাশবাক্স থেকে নগদ ৭ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগসূত্রে প্রকাশ। পটিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় দোকানের পিছনে গ্যাসের পাইপ লাইনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে দোকানের মালিক সাবেক কমিশনার নুরুল আলম জানান। অগ্নিকান্ডের ফলে স্থানীয় ফায়ার বিগ্রেড এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা পাশের অপর দুটি দোকান ভাংচুর করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। এ ঘটনায় সাবেক কমিশনার নুরুল আলমের পুত্র মিজানুর রহমান বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। এতে মামলার আসামী করা হয় আমির খসরু, পিতা- আহমদুল হক, জসিম উদ্দিন, পিতা- মরহুম এজাহার মিয়া, নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মদুর রহমান, নঈম উদ্দিন, পিতা- আহমদুল হক, সাং- কচুয়াই, নাছির উদ্দিন, পিতা- মরহুম এজাহার মিয়া, পটিয়া পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ড ঈদউল মল্ল পাড়া, আবু বক্কর, পিতা- মৃত জহির আহমদসহ ১৫/২০ জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা যায়। বাদী মিজানুর রহমানের অভিযোগ প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের দোকানে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। উক্ত টাকা দিতে অপারগতায় খসরু ও জসিম গং সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে দোকানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করে ৭ লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং ৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ক্ষতিসাধন করে। অপরদিকে, এ ব্যাপারে আটককৃত আমির খসরুর ছোট ভাই মৌলানা নিজাম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গোল্ডেন হোটেলটি তাদের মালিনাকাধীন জায়গায়। দেড় বছর ধরে নুরুল আলম ভাড়া না দিয়ে জমিদার দাবি করে আসছিল। এই জায়গা আমার জৈঠা হাবিবুল হকের মৌরসী সম্পত্তি। তার ওয়ারিশরা এই জায়গা আমার ভাই আমির খসরুকে রেজিস্ট্রি দেন। সে মোতাবেক জায়গাটির বর্তমান মালিক আমার ভাই আমির খসরু। জায়গাটি দখল বুঝে নিতে গিয়ে অনভিপ্রেত এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান।

Post a Comment
খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত প্রদান করুন