আমি আর স্কুলে যামু না, মা। হে কইছে, আমারে জানে শেষ কইরা দেবে।' আট বছরের
কন্যাশিশুটি বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফিরে ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে জড়িয়ে ধরে তার মাকে এ
কথা বলে কান্নায় ভেঙে পরে। মেয়েটির মা কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখেন, তার
মেয়ের শরীরে রক্তের দাগ। তিনি বুঝতে পারেন, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
গত শনিবার দুপুরে পিরোজপুর সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী বাড়ি ফেরার পথে নির্যাতীত হয়। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গ্রামের রুহুল মোল্লা ওরফে গাঁজা রুহুলের ছেলে গাঁজা উজ্জ্বল (২১) রাস্তা থেকে মেয়েটিকে জোড় করে তুলে নিয়ে যায়। পাশের তালুকদার বাড়ির বাগানে নিয়ে নির্যাতন চালায়। চিৎকার করলে গলা টিপে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে মেয়েটি বাড়ি গিয়ে ঘটনা মাকে জানায়। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাতে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, গাইনি ওয়ার্ডে শরীরের ক্ষত নিয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে মেয়েটি। তার পাশে বসে অঝোর ধারায় কাঁদছেন মা।
ওই ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফারহানা রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। চিকিৎসা চলছে।
গতকাল রবিবার সকালে পিরোজপুর সদর থানায় গাঁজা উজ্জলকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে মেয়েটির মামা। এ ব্যাপারে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা জানান, 'আসামী গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।'
মহিলা পরিষদের সভানেত্রী মনিকা মন্ডল বলেন, 'আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আমাদের দাবী, এই লম্পটকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।
এদিকে শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার ওই শিশুর মা জানান, রবিবার রাত ৮টার দিকে তার মেয়ে (৫) প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে যায়। এ সময় একই বাড়ির পাঁচ সন্তানের জনক এক লম্পট শিশুটিকে মুখ চেপে ধরে তার ঘরে নিয়ে যৌন নির্যাতন করে। শিশুটি চিৎকার দিলে তার মা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় টের পেয়ে লম্পট পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে রাতেই শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে ওই লম্পটকে আসামি করে শিশুর বাবা বাদী হয়ে রবিবার রাতেই পালং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ফকির বলেন, থানায় খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে মামলা নেয়া হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
গত শনিবার দুপুরে পিরোজপুর সদর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী বাড়ি ফেরার পথে নির্যাতীত হয়। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গ্রামের রুহুল মোল্লা ওরফে গাঁজা রুহুলের ছেলে গাঁজা উজ্জ্বল (২১) রাস্তা থেকে মেয়েটিকে জোড় করে তুলে নিয়ে যায়। পাশের তালুকদার বাড়ির বাগানে নিয়ে নির্যাতন চালায়। চিৎকার করলে গলা টিপে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে মেয়েটি বাড়ি গিয়ে ঘটনা মাকে জানায়। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার রাতে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, গাইনি ওয়ার্ডে শরীরের ক্ষত নিয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে আছে মেয়েটি। তার পাশে বসে অঝোর ধারায় কাঁদছেন মা।
ওই ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক ফারহানা রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। চিকিৎসা চলছে।
গতকাল রবিবার সকালে পিরোজপুর সদর থানায় গাঁজা উজ্জলকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে মেয়েটির মামা। এ ব্যাপারে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা জানান, 'আসামী গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।'
মহিলা পরিষদের সভানেত্রী মনিকা মন্ডল বলেন, 'আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আমাদের দাবী, এই লম্পটকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।
এদিকে শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার ওই শিশুর মা জানান, রবিবার রাত ৮টার দিকে তার মেয়ে (৫) প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে যায়। এ সময় একই বাড়ির পাঁচ সন্তানের জনক এক লম্পট শিশুটিকে মুখ চেপে ধরে তার ঘরে নিয়ে যৌন নির্যাতন করে। শিশুটি চিৎকার দিলে তার মা ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় টের পেয়ে লম্পট পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে রাতেই শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ব্যাপারে ওই লম্পটকে আসামি করে শিশুর বাবা বাদী হয়ে রবিবার রাতেই পালং থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে পালং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ফকির বলেন, থানায় খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এ ব্যাপারে মামলা নেয়া হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

Post a Comment
খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত প্রদান করুন