নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার জেরে এক শিক্ষককে কুপিয়ে
হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুলিয়াদী এলাকায়
এই ঘটনা ঘটে।
নিহত স্কুল শিক্ষকের নাম মেহেদী হাসান বাবু(৩০)। সে রূপগঞ্জ জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। সে কুলিয়াদী এলাকার আমজাদ হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে।
এই ঘটনার জেরে কুলিয়াদী ও দিঘুলিয়া দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কুলিয়াদী এবং দিঘুলিয়া এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কুলিয়াদী এলাকার হলি হেভেন কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে বসে মাদক সেবন করছিলেন পার্শ্ববর্তী দিঘুলিয়া এলাকার বাবুল মিয়া ও নয়ন মিয়াসহ আরো ৫/৬ জন। কুলিয়াদী এলাকার লোকজন তাদেরকে বাধা দেয়। এই নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। এই ঘটনার জের ধরে কুলিয়াদী ও পাশ্ববর্তী দিঘুলিয়া এলাকার লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় মাদক সেবনের প্রতিবাদ এবং সংঘর্ষ থামাতে গেলে মাদক সেবীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্কুল শিক্ষক মেহেদী হাসান এবং জিয়াউর রহমানকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
আহত অবস্থায় তাদের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মেহেদী হাসানের মৃত্যু হয়। গুরুতর অবস্থায় জিয়াউর রহমানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।
দাউদপুর ইউপি চেয়ারম্যান শরিফ আহমেদ টুটুল জানান, দীর্ঘদিন ধরে বাবুল মিয়া, নয়ন মিয়া ও তাদের সহযোগিরা কুলিয়াদী এলাকায় এসে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো: আসাদুজ্জামান জানান, মাদক সেবনে বাধা দেয়ার জের ধরে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নিহত স্কুল শিক্ষকের নাম মেহেদী হাসান বাবু(৩০)। সে রূপগঞ্জ জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। সে কুলিয়াদী এলাকার আমজাদ হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে।
এই ঘটনার জেরে কুলিয়াদী ও দিঘুলিয়া দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কুলিয়াদী এবং দিঘুলিয়া এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কুলিয়াদী এলাকার হলি হেভেন কিন্ডার গার্ডেন স্কুলে বসে মাদক সেবন করছিলেন পার্শ্ববর্তী দিঘুলিয়া এলাকার বাবুল মিয়া ও নয়ন মিয়াসহ আরো ৫/৬ জন। কুলিয়াদী এলাকার লোকজন তাদেরকে বাধা দেয়। এই নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। এই ঘটনার জের ধরে কুলিয়াদী ও পাশ্ববর্তী দিঘুলিয়া এলাকার লোকজনের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় মাদক সেবনের প্রতিবাদ এবং সংঘর্ষ থামাতে গেলে মাদক সেবীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্কুল শিক্ষক মেহেদী হাসান এবং জিয়াউর রহমানকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
আহত অবস্থায় তাদের রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেয়ার পথে মেহেদী হাসানের মৃত্যু হয়। গুরুতর অবস্থায় জিয়াউর রহমানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে পুলিশের উপস্থিতিতেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।
দাউদপুর ইউপি চেয়ারম্যান শরিফ আহমেদ টুটুল জানান, দীর্ঘদিন ধরে বাবুল মিয়া, নয়ন মিয়া ও তাদের সহযোগিরা কুলিয়াদী এলাকায় এসে প্রকাশ্যে মাদক সেবন করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো: আসাদুজ্জামান জানান, মাদক সেবনে বাধা দেয়ার জের ধরে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তথ্যসুত্র : সরেজমিন

Post a Comment
খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত প্রদান করুন