0
 টাইগারদের থাবায় মাঠে যেন দাঁড়াতেই পারেনি আফগানরা। না-ব্যাটিং, না-বোলিং। কোনো কিছুতেই পাত্তা ছিল না তাদের। সব জায়গাতেই বাংলার টাইগারদের নখের আঁচড়।

সাকিবকে আগের রূপে দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন দর্শকেরাও। ২০ ওভার নয়, ১৭ ওভারেই আফগান ১০ ব্যাটসওম্যানকে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে দেন সাকিব, রাজ্জাকরা।

যেমন উচ্ছ্বাস ছিল মাঠের ভেতরে, ঠিক তেমনই ছিল মাঠের বাইরেও। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের চার নম্বর গেটের সামনের বাদশা আলী মোটর ওয়ার্কসের টিভিতে খেলা দেখেছেন অনেকেই।

দোকানি শাহাদত আলী বলেন, বাঘের বাচ্চারা কী খেলতাছে, দেকছেন আফা! অন্যদিকে, বল হাতে নিয়ে মোহাম্মদ শাহজাদের উইকেটে পুলকিত হয়ে ওঠেন মাশরাফির দর্শকরা।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী এহসান বলেন, আরে, মাশরাফি হইলো বস। আসল বস!

নিজেদের পছন্দের খেলোয়াড়দের ভালো খেলা দেখে আনন্দিত যেন সব দর্শক। দুর্বার বোলিংয়ের পর আসে ব্যাটিংয়ের পালা। তামিম-বিজয়দের ঝড় শুরু। কিন্তু, এর মাঝেই ২১ রানে আউট হয়ে যান তামিম।

তামিমের পরেই সাকিবের ঝড়ের সামনে যেন দাঁড়াতেই কষ্ট হচ্ছে আফগানদের। এ সময় ৫১ রানের পর আবার সাকিবের ৪। উল্লাস যেন আর ধরে না দর্শকদের! উন্মুখ হয়ে যেন কেবল জয়েরই অপেক্ষা!

আর অন্যদিকে বাঘের আঁচড়ে রক্তাক্ত আফগানরা। টি-টোয়েন্টির শুরুতেই বাংলার টাইগারদের এমন পারফরমেন্সে উচ্ছ্বসিত সবাই।

এরই মধ্যে এক উইকেটে যখন ৬১, মাঠের ভেতরে ও বাইরের দর্শকদের জয়ের উল্লাসের প্রস্তুতি শুরু, এরই মধ্যে আবারও সাকিবের ৪। একের পর এক চাপে কুপোকাত আফগানরা। কিন্তু, জয়ের এই ধারা যাতে বজায় থাকে, সেটিই চান দর্শকেরা।

একমাত্র মেয়েকে নিয়ে খেলা দেখতে আসা মোবারক হোসেন বলেন, বাংলাদেশ আজ ভালো খেলেছে। বাচ্চাকে নিয়ে এসে খেলা দেখলাম। আসাটা সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই বাংলার বাঘেরা এমনিই খেলুক সারা বছর। এবারের টি-২০-র প্রতিটি ম্যাচে টাইগারদের একইভাবে দেখতে চাই।

এদিকে, ২০ ওভারের আগেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টাইগাররা। ১২ ওভারেই বিজয়ের মালা অর্জন করে বাংলার দামাল ছেলেরা।

Post a Comment

খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত প্রদান করুন

 
Top