চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পরাজয়ের নেপথ্যের পিছনে রয়েছে দলগত কিছু কারণ। কয়েকটি কারণে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর শোচণীয় পরাজয় ঘটেছে যার মধ্যে প্রথমত প্রার্থী নির্ধারণ করণ যেহেতু পটিয়া বিএনপি দুর্গ এলাকা সেহেতু গত বারের উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামলীগ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে ছিলেন তেমনি বর্তমান প্রার্থী নাসির উদ্দীন(কাপ-পিরিস), গত বারের দলীয় প্রার্থী মোতাহের হোসেন চৌধুরী পেয়েছিলেন প্রায় ৭০ এর কাছাকাছি। তার পর সাবেক পটিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ডা:তিমির বরণ চৌধুরী তাও ২৫হাজার এর অর্ধেক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন যা মোট জরিপে তৃণমুল পর্যায়ে স্থানীয় ছোট কাট নেতা কর্মীদের মনে প্রশ্ন জাগে এই অন্তত পক্ষে গত বারের নির্বাচনেও দলীয় নির্ধারিত প্রার্থী হিসেবে নাসির উদ্দীন ঠিক এই বারের মত একই ভোট পেয়েছে। এখন স্থানীয় নেতা কর্মীদের মনে প্রশ্ন জাগে এই বারের দলীয় প্রার্থী নির্ধারণের সময় অন্তত বিগত সময়ের নির্বাচনটা মাথায় রেখে নির্ধারণ করা উচিত ছিল। যা অন্তত পক্ষে মোতাহের হোসেন চৌ: নির্বাচনে না গেলেও ডা:তিমির বরণকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হত নতুবা নতুন কোন দলীয় পরিচিত মুখকে নির্ধারণ করত তাহলেও অন্তত পটিয়া উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী আসা করা যেত। আবার অনেকে মন্তব্য করছেন বাবু দেবব্রত, প্রদীপ দাস ও শামসুজ্জামান সহ মিল্লা পটিয়ায় আওয়ামীলীগ কাইল গিল্লা। কিছু কিছু মানুষেরা এমনও মন্তব্য করে পটিয়ায় আওয়ামী সাইন ভোট যারা ক্রয় করেছেন তারা কখনও চাই না পটিয়ার আওয়ামীলীগ উজ্জীবিত হোক। অপরদিকে দেখা যায় স্থানীয় ওয়ার্ড পর্যায়ে সঠিক নেতা কর্মীদের মুল্যায়ন না থাকায় এই লজ্জাজনক ব্যাপার আওয়ামীলীগের এই শোচনীয় পরাজয়।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

Post a Comment
খবরটি সম্পর্কে আপনার মতামত প্রদান করুন