পটিয়া কুসুমপুরা ইউনিয়ন এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ টি বসতঘর পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৪০ লক্ষা টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার সময় উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের থানা মহিরা নাথ পাড়া তীর্থ মুন্সির বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, থানা মহিরা
তীর্থ মুন্সির বাড়ীর ডা. বনমালী নাথের বাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে
মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশে পাশের বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের
একটি দল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ঘরের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র বের করতে
পারেনি।
মৃত সুজন চন্দ নাথে ছেলে ডা. বনমালী নাথ,
মৃত মদন মোহন নাথের ছেলে কমল চন্দ্র নাথ, মৃত হরিপদ নাথের ছেলে বাবুল
চন্দ্র নাথ, মৃত রমেশ চন্দ্র নাথের ছেলে লক্ষিকান্ত নাথ, ধন রঞ্জন নাথের
ছেলে রাজিব কুমার নাথ, নীল কৃষ্ণ নাথের ছেলে চন্দন কুমার নাথের ঘর সহ ৬ টি
ঘর আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়ে যায়।
এতে ৬ পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকাসহ প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
স্থানীয় উত্তর কুমার নাথ জানায়,
অগ্নিকাণ্ডে ৬ পরিবারের প্রায় সবকিছু পুড়ে গেছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন,
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আরো আগে আসলে এতো ক্ষয়ক্ষতি হতো না।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নেছার আহমদ ও
ইউপি মেম্বার আবদুস ছত্তর সিটিজি নিউজকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলে
স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ৬টি ঘর
পুড়ে গেছে।
পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার
দৌলন আচার্য্য সিটিজি নিউজকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের
একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুনের ভয়াবহতা
বেশি হওয়ার কারণে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে
বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। তবে দেরিতে আসার বিষয়ে
তিনি বলেন, আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করেছি দ্রুত আসার জন্য।
তথ্যসুত্র : সিটিজি নিউজ
তথ্যসুত্র : সিটিজি নিউজ

সত্য চিরকালই সত্য, তাই সত্যের সন্ধানে আমাদের পথচলা
ReplyDelete